অভিযানে জরিমানা করার সময়ে তোলা ছবি।
বগুড়ার দই কারখানাগুলোতে ভেজাল উপকরণ ব্যবহার করে, দই প্রস্তুত ও তৈরি করা হচ্ছে। এমন খবরে গত কয়েক দিন ধরে বগুড়ার বিভিন্ন এলাকায় কানাঘুষা শুরু হওয়ায়, বিভিন্ন বরাতে বিষয়টি ভোক্তা – অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে এ খবর প্রশাসনের কাছে পৌছিতেই বিভিন্ন দই কারখানায় অভিযান অংশ নেন ও পরিচালনা শুরু করে প্রশাসন।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মঙ্গলবার বগুড়ায় ভেজাল ও অনুমোদনহীন দই তৈরির অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মগার মোড় ও তেঁতুলগাছি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, অভিযানে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ সংক্রান্ত লেবেল ব্যবহার না করা, অন্য প্রতিষ্ঠানের মোড়ক ব্যবহার এবং তথ্য গোপন করে গুঁড়োদুধ দিয়ে দই তৈরির অপরাধে দুই ভাই দই ঘরকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ও বিএসটিআই’র অনুমোদন ছাড়া দই প্রস্তুত করায় লতিফ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে পাঁচ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়।
একই সঙ্গে কারখানা দুটিকে প্রচলিত আইন মেনে চলাসহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ ও বিএসটিআই ‘র প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এসময় উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক জাকিয়া সুলতানাও অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, এছাড়া জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে সার্বিক সহায়তা করেছেন।
Leave a Reply