শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান, নির্বাহী চেয়ারম্যান ও নেত্রী বৃন্দের ছবি।
প্রয়াত বাংলার বাঘ ক্ষেত এ নেতার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দোয়েল চত্বরে তিন নেতার মাজারে ফজলুল হকের সমাধিতে বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকাল নজরুল ইসলাম বলেন, এ কে ফজলুল হক পুরো বাংলার গণমানুষের নেতা ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আদালত প্রতিষ্ঠাসহ গণমানুষের কল্যাণে অসংখ্য অবদান আছে তার।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, প্রজাস্বত্ব আইনের কারণে আজ বাংলাদেশের কৃষিজীবীরা এখন সুফল পাচ্ছেন।
তবে, তাকে নিয়ে আলোচনা কম হচ্ছে, এ সময় তার পরিবারের সদস্যরা বলেন, বাঙালি জাতির রাজনৈতিক পিতা শেরে বাংলাকে বিভিন্ন সময়ে পাঠ্যপুস্তক থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিএনপি সরকার এবং বিরোধী দল যেন পাঠ্যপুস্তকে শেরে বাংলার আলোচনা ফিরিয়ে আনে সেই দাবি জানান তারা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সফু সহ প্রমুখ।
এছাড়াও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার ও নির্বাহী চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেন ঈসা’র নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং মাজার চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারা বলেন, শেরে বাংলা সমাধিস্থলে একটি যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে বলে দাবী জানান।
তারা আরো বলেন, পদ্মাসেতু নামকরন শেরে বাংলার নামে করতে হবে ও পাঠ্যপুস্তকে শেরে বাংলাকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, শেরে বাংলার জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার দাবী জানানো হয়।
শেরে বাংলার সমাধিস্থলে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল লতিফের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়াও শেরে বাংলা ফাউন্ডেশন, বরিশাল বিভাগ সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
Leave a Reply