রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শোক প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত

ষাটের দশকে ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই,(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বার্তা প্রেরক এ এম রাজ্জাক খান দপ্তর সম্পাদক সাক্ষরিত পত্রে  শোক বার্তা জানানো হয়।

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদার শোক জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধে তোফায়েল আহমেদের অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।

ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যোন সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।

সোমবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো শোক বার্তায় ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন,
তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক কিংবদন্তি পুরুষ। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। ৮২ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও দায়বদ্ধ রাজনৈতিক অভিভাবককে হারালো।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তার এই চলে যাওয়া দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। জাতীয় পার্টি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।

সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় নেতৃত্ব সব ক্ষেত্রেই তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে তিনি হয়ে ওঠেন অন্যতম মুখপাত্র। বিশেষ করে ১৯৬৯ সালের ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তার সক্রিয় নেতৃত্ব তাকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করে তোলে। এরপর ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার পক্ষে সংগঠন ও রাজনৈতিক সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

উল্লেখ্য দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভোগার পর সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বাদ মাগরিব ধানমন্ডির ১২/এ-তে তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার,সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশিদ,জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সেন্টু সহ জাতীয় পার্টিও অসংখ্য নেতাকর্মী।

Pachattar. tv নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর জানতে লগইন করুনঃwww.pachattar. tv
© All rights reserved © 2021 pachattar.tv
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com