কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া’র ছবি সংগৃহীত।
র্যাব-১৪’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৪ সদর কোম্পানির একটি দল অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে তাকে নেত্রকোনা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রিপন বিভিন্ন সময় ভিডিও তৈরির অজুহাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতেন।
তিনি গত ৩০ জুলাই আনুঃ রাত ৮টার দিকে ঐ ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে জরুরী কথা আছে বলে ডেকে নিয়ে যায় মগড়া নদীর উত্তর পাড়ে, সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন।
ওই ঘটনা জানাজানি হলে গত সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিশ বসে। সেখানে রিপন মিয়াকে পাঁচ (৫) লাখ টাকা জরিমানা ও গ্রামছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়, সালিশীতে অংশ গ্রহণ করা গন্যমান্য ব্যক্তিদের সিদ্ধান্তে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ ও গ্রাম ছাড়তে তাকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।
সালিশের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ৩০ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে তাকে বলতে শোনা যায়, আমি ভুল করছি, আমি এই কাজ করলেও করছি, না করলেও করছি, আমার তো আপনেগো লগে থাকতে হইবো।
Leave a Reply