প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ্ ছবি সংগৃহীত।
দীর্ঘ ২৯ বছর পর সালমান শাহ্ হত্যা মামলায় জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডলি জহুরকে জিজ্ঞাসা বাদের কথা বলেছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী , সে সময়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী অনেককেই জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন রয়েছে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য, সে সময় সালমান শাহ্ মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে তিনি ডলি জহুর মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন কথা মিডিয়ার সম্মুখে বলছেন, তদন্তের সার্থেই অনেককে জিজ্ঞেস করলে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে, এবিষয়ে কাউকে আটক করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন তদন্তের সার্থে আটক করতে হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সঠিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করবেন।
প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ্ দূর্লভ ছবি সংগৃহীত
কেন ডিপজলকে ডাকা দরকার এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এই মামলায় ডিপজলকে সাক্ষীর জন্য ডাকা দরকার।
এর কারণ সে ফিল্মের মানুষ, “অনেক কিছু জানে বলেই তো ধরিয়ে দিয়েছে, সে (ডন) যে দেশ ছাড়ছে, সেটা তো সে জানত, অপরাধী মনে না করলে তো সে ধরিয়ে দিত না”।
নীলা চৌধুরী আরও বলেন, ইমনকে (সালমান শাহ্) যখন হত্যা করা হয়, তখন তো ডিপজলরা নিয়মিত কাজ করছিলেন। সিনেমার অনেক ঘটনাই তো তাদের জানা ছিল। সে তো আগের-পরের অনেক কিছুই জানতে পারে। যে কারণে ভালো-মন্দ যা-ই হোক, সে কিছু জানতে পারে। আমার প্রশ্ন, যদি কিছু জেনে থাকে, তাহলে সেটা সাক্ষী হয়ে কথা বলুক। এটা তো মামলার জন্য সহায়তা করা হয়। যে কারণে আমি মনে করি, তাকে সাক্ষী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করার দরকার।’
এ সময় ডিপজলকে ধন্যবাদও জানান সালমান শাহ্ ‘র মা।
সালমান শাহ হত্যা মামলায় আরও অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন নীলা চৌধুরী। বিশেষ করে ঘটনার দিন কী হয়েছিল, সে বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে কথা বলা ডলি জহুরকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
নীলা চৌধুরী বলেন, ‘যেদিন ইমনকে হত্যা করা হয়, সেদিন ডলি জহুরও তো ঘটনা সম্পর্কে অনেক কিছু জানত। ওই দিন কী কী হয়েছিল, সেই সম্পর্কে বিভিন্ন সময় ডলি জহুর গণমাধ্যমে কথা বলেছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। সামিরার সঙ্গে তার কতটা যোগাযোগ ছিল, বের করা দরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডলি জহুর, বাদল খন্দকার এরা অনেক কিছু জানে। তাদের সত্যটা প্রকাশ করা। প্রয়োজন মনে করলে এদের মধ্যেও কাউকে আমি আসামিও করতে পারি। ডলি জহুর আসামি হতে পারে। এদের অনেকেই সালমান শাহকে বিরক্ত করেছে।’
সম্প্রতি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি ডন হক ভোট দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন নীলা চৌধুরী। তার প্রশ্ন, একজন হত্যা মামলার আসামি কীভাবে এফডিসিতে এসে ভোট দেন।
তিনি বলেন, ‘একজন হত্যা মামলার আসামি কীভাবে এফডিসিতে এসে ভোট দেয়। তাকে অনেকেই সহায়তা করছে। এদের ধরতে হবে।’
ডনকে এফডিসিতে স্বাগত জানানোর বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নীলা চৌধুরী। তার অভিযোগ, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান সভাপতি শিবা শানুসহ অনেকে ডনকে প্রশ্রয় দিয়েছেন।
নীলা বলেন, ‘শিবা শানুরা ডনকে বরণ করে নিয়েছিল। এখানে ডনকে প্রশ্রয় দিচ্ছে কারা? যেখানে ডনকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া উচিত ছিল, সেখানে এফডিসির নির্বাচনে ডনকে বরণ করে নেওয়াটা বোঝায়, এদের ছত্রচ্ছায়ায় ডন থাকত।’
এদিকে ডনকে গ্রেপ্তারের পর সালমান শাহর মামা কুমকুমকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নীলা চৌধুরী। সালমান শাহ হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে তার ভাই কুমকুম হুমকির বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
নীলা চৌধুরী বলেন, আমার ভাইকে তো বহু দিন ধরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, সেটা এখন আবার বাড়ছে। অন্যদিকে সালমানের ভক্তদেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেগুলোর স্ক্রিনশট আমার কাছে আছে। এসব হুমকি দিয়ে কোনো কিছু থামানো যাবে না। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত এই হত্যার বিচার করতে হবে।
চিত্র নায়িকা লিমাও অবশেষে আবেগঘন কথা বলেছেন, সালমান শাহ্ সঙ্গে এ নায়িকা মাত্র দুটো ছবি করেছেন, তখন বুঝতে পারিনি সে এত বড় সেলেব্রিটি তখন কার সময়ে তার মৃত্যুর খবরে ১৮ মেয়ে মারা গিয়েছে, কোন কোন পত্রিকায় ২৮ জনের কথাও লিখেছে।
খুব সাদামাটা ছিলো স্বপ্নের নায়ক ২৯ বছর হয়ে গেল এখন জানতে পারলাম না প্রকৃত মৃত্যুর কারণ। এটা কি মৃত্যু! না আত্ন হত্যা? দুটি ছবি করে যতটুকু বুঝেছি সে আত্ন হত্যা করার ছেলেই না, তবে যা-ই হোক কেউ যদি হত্যা করে তার বিচার হওয়া উচিত, সালমান শাহ্ হত্যার বিচার চাই।
Leave a Reply