সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন ছবি সংগৃহীত।
এরপর দ্রুত তাঁকে পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আসার পূর্বেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি স্ত্রী ফাতেমা সারোয়ার, ছেলে সাবায়ের সারোয়ার ও মেয়ে তানজিয়া সারোয়ার অমি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
গোলাম সারোয়ার মিলন বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন, ১৯৮৬-৯০ মেয়াদে তিনি মানিকগঞ্জ – ৪, আসনের সংসদ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮৬-৮৭ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি ছাত্রজীবনেও গোলাম সারোয়ার মিলন ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৮১-৮২) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রভাবশালী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি ছিলো তার।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ পদে ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন দল পরিবর্তন করেছেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশ জনতা পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
তাঁর মৃত্যুতে মানিকগঞ্জ জেলাসহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ বাদ জোহর মানিকগঞ্জের সিংগাইর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গোলাম সারোয়ার মিলনের প্রথম জানাজা এবং ঢাকায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
Leave a Reply