১৫ ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী।
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল সদস্য সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত করে এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমন্ডি ৩২’র তাঁর নিজ বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে।
পরে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত খন্দকার মোশতাক আহমেদ অঘোষিতভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হন।
শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসামরিক প্রশাসনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো সামরিক ক্ষমতার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ঘটে।
হত্যাকাণ্ডটি বাংলাদেশের আদর্শিক পটপরিবর্তন বলে বিবেচিত। লরেন্স লিফশুলৎজ এই হত্যাকাণ্ডের সামগ্রিক ঘটনাবলিকে মার্কিন-পাকিস্তানপন্থী ও ভারত-সোভিয়েতপন্থী দুই অক্ষশক্তির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার স্নায়ুযুদ্ধের সহিংস বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেন।
১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের ‘জাতীয় শোক দিবস’ আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করত।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্রদের বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলন, ছাত্র জনতা’র এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থান রূপে পরিনত হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন।
৫ আগষ্ট দেশ ত্যাগ করে ভারতের আশ্রয় নেন। আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন পরবর্তী গঠিত মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দিবসটিকে সরকারি কার্যতালিকা থেকে বাতিল করে।
উল্লেখ্য ১৯৭৫ সালে’র হত্যাকান্ডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৭ জন নিহত হন, আহত হন ১৮ জন, সেই থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দিনটি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে শোক দিবস হিসেবে পালন করে থাকে।
Leave a Reply