ছবি সংগৃহীত, নায়েব আলী।
নিহত নায়েব আলী ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
প্রতি রাতেই কলাবাগান দেখে আবার বাড়ি চলে আসেন। কিন্তু বুধবার রাতে বের হওয়ার পর ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খুঁজতে বের হন। কলাবাগানসহ আশপাশের কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু ওই বাগান ও ডোবার আশপাশে তার ব্যবহৃত টর্চ লাইট, লুঙ্গি-গামছা, বিড়ির প্যাকেট ও গ্যাসলাইট ছড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এতে পরিবারে সন্দেহ বাড়তে থাকে যে, তিনি পরিকল্পিত কোনো ঘটনার শিকার।
ছড়ানো-ছিটানো নায়েব আলীর ব্যবহৃত জিনিসপত্রের সূত্র ধরে সন্দেহ জাগে বাড়ির পাশে ডোবায়। এরপরে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে খুঁজতে গেলে ডোবায় কচুরিপানার নিচ থেকে তার লাশ পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর লাশের পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় বলে অভিযোগ করেন মনির হোসেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে স্থানীয় মাদক কারবারিদের ঘরবাড়ি ভাঙার সময় উনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পরিবারের ধারণা, মাদক ব্যাবসায়ী অথবা রাজনৈতিক রোষানলের শিকার হয়েছেন তিনি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন তারা।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরে গভীর আঘাতের চিহ্ন ও কালো দাগ রয়েছে। সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
Leave a Reply